ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ , ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​প্রতিমন্ত্রী বললেন, ‘সারপ্রাইজ’ আসছে নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৪-০৪-২০২৬ ০৬:২৫:০৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৪-০৪-২০২৬ ০৬:২৬:০১ অপরাহ্ন
​প্রতিমন্ত্রী বললেন, ‘সারপ্রাইজ’ আসছে নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য ​ছবি: সংগৃহীত
পান্তা-ইলিশ, ঢাক-ঢোল আর উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করে নিল ক্রীড়াঙ্গন। 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’।

 বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও গ্রামীণ খেলাধুলাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এই ধরণের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে সমভাবে এগিয়ে নিতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। 

নারী ক্রীড়া সংস্থার জন্য খুব শীঘ্রই একটি বড় ধরনের ‘সারপ্রাইজ’ বা বিশেষ ঘোষণা আসার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘নারী ক্রীড়াবিদদের নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা হবে।’

খেলাধুলাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। সমাজের সকল বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম। উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান মৌসুমি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল।

এছাড়া বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়াবিদরা এই ক্রীড়া মেলা আলোকিত করেছেন। দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন গ্রামীণ ও লোকজ খেলাধুলার পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শিত হয়।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ